দেশের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই এই সরকারের দায়িত্ব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, মানুষের জন্য কর্মসংস্থান করতে হলে দেশে শান্তি শৃঙ্খলা থাকতে হবে, কোন বিশৃঙ্খলা থাকলে চলবে না। বিনিয়োগকারীদের জন্য সহায়ক পরিবেশ থাকতে হবে।
রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে 'গৃহ হস্তান্তর, অনুদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ' অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে ৪১ লাখ নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। এছাড়া আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
বিরোধীদলকে জ্বালানী ও বিদ্যুতের বিষয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত না করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানী সংকট নিয়ে বিরোধ দলের কোন প্রস্তাবনা থাকলে সংসদে উপস্থাপন করুন। বিভ্রান্তি তৈরি করবেন না। দেশকে আর পিছনে রাখা যাবে না, এগিয়ে যেতে হবে। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত স্বৈরাচারী আমলে, এদেশের জ্বালানী বিদ্যুৎ খাতকে গুটি কয়েক ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। যা এদেশের মানুষের পক্ষে ছিল না। সেই অপরিকল্পিত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে সরকার কাজ করছে।
জ্বালানি খাত নিয়ে পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকটের জন্য সময় দরকার। আগামী ১০ বছরের জ্বালানি খাত কী হবে সেই প্রস্তাবনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্প শেষে এ মাসের ১৬ তারিখ ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, চলতি অর্থ বছরে ৪১ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছানো হবে।
আপনার মতামত লিখুন