আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ৩নং ঘোরজান ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই নির্বাচনে ঘোরজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সাধারণ জনগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তরুন সমাজসেবক ও গণমাধ্যমকর্মী রাসেল সরকার। তিনি দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, আশীর্বাদ ও সমর্থন কামনা করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাসেল সরকার কেবল একজন গণমাধ্যম বা সমাজকর্মীই নন, তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ঘোরজান ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তার পূর্বপুরুষের সেই জনসেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এবার তিনি নিজেকে জনগণের সেবায় বিলিয়ে দিতে চান।
ইতিমধ্যে ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় তার নিয়মিত যাতায়াত এবং জনমুখী কার্যক্রম সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
নিজের প্রার্থীতা ও পরিকল্পনার বিষয়ে রাসেল সরকার বলেন, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি ঘোরজানবাসীর উন্নয়নে কাজ করতে চাই।মহান রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছায় এবং জনগণের দোয়া ও সমর্থনে আমি যদি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারি, তবে নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে।
তিনি আরও বলেন- চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে অসহায়, গরীব ও দুস্থ মানুষের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। নাগরিক সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে কোনো প্রকার ভোগান্তির শিকার হতে হবে না। বরং পরিষদের প্রতিনিধিরাই প্রতিটি মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজখবর রাখবেন। এছাড়া, মাদকের বিরুদ্ধে আমি অতীতেও কঠোর অবস্থানে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।
ঘোরজান ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাসেল সরকার বলেন, জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে দায়িত্ব দেন, তবে ঘোরজানকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত একটি আধুনিক, সুন্দর ও ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।
এলাকার সাধারণ ভোটাররা জানান, রাসেল সরকার একজন সৎ, মার্জিত ও সমাজসচেতন তরুণ। তার মতো একজন যোগ্য ব্যক্তি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটবে।
আপনার মতামত লিখুন